Mock Test 1, History, Class-Vii

 

গ্রন্থ (সপ্তম শ্রেণী) - প্রশ্নোত্তর

মোট প্রশ্ন: ২০ টি


১. দানসাগর গ্রন্থটি কে রচনা করেন?

উত্তর: বল্লাল সেন

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
সেন বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক রাজা বল্লাল সেন ছিলেন একজন পরম পণ্ডিত ও সাহিত্য অনুরাগী রাজা। তিনি স্মার্ত সাহিত্য ও আচার-অনুষ্ঠানের ওপর ভিত্তি করে দানসাগর গ্রন্থটি রচনা করেন। এতে দান সংক্রান্ত নানাবিধ বিধান ও ধর্মীয় আচার বর্ণিত আছে।

২. অদ্ভুতসাগর গ্রন্থটি কে শুরু করেন এবং কে সম্পূর্ণ করেন?

উত্তর: শুরু করেন বল্লাল সেন, সম্পূর্ণ করেন লক্ষণ সেন

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
বল্লাল সেন জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত অদ্ভুতসাগর গ্রন্থটির কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু তিনি এটি শেষ করে যেতে পারেননি। তাঁর পুত্র লক্ষণ সেন পিতার অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করেন। লক্ষণ সেন নিজেও একজন পণ্ডিত ছিলেন এবং তাঁর রাজসভা জয়দেব, ধোয়ী, শরণ, উমাপতিধর ও গোবর্ধন — এই পঞ্চরত্ন দ্বারা অলঙ্কৃত ছিল।

৩. সেন বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?

উত্তর: বিজয় সেন

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
বিজয় সেন ছিলেন সেন বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা এবং বল্লাল সেনের পিতা। তিনি সাম্রাজ্য বিস্তারে মূল ভূমিকা পালন করেন।

৪. দেওপাড়া প্রশস্তি কার লেখা?

উত্তর: উমাপতিধর

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
কবি উমাপতিধরের লেখা দেওপাড়া প্রশস্তি-তে বিজয় সেনের সাম্রাজ্য বিস্তারের বিবরণ পাওয়া যায়।

৫. বাবরনামা গ্রন্থটির অপর নাম কী এবং কে রচনা করেন?

উত্তর: তুজুক-ই-বাবরী, রচয়িতা সম্রাট বাবর

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর তাঁর জীবনের ঘটনাবলী, যুদ্ধবিগ্রহ, ভারতের প্রাকৃতিক বিবরণ এবং নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি আত্মজীবনী রচনা করেন। এই গ্রন্থটির নাম তুজুক-ই-বাবরী, যা বিশ্বজুড়ে বাবরনামা নামেও পরিচিত।

৬. রাজতরঙ্গিণী গ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর: কলহন

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
১২শ শতকের বিখ্যাত কাশ্মীরি কবি ও ঐতিহাসিক কলহন রাজতরঙ্গিণী রচনা করেন।

৭. রাজতরঙ্গিণী গ্রন্থটির গুরুত্ব কী?

উত্তর: প্রাচীন ভারতের প্রথম যথার্থ ও বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাস গ্রন্থ

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
কলহনের রাজতরঙ্গিণীতে প্রাচীনকাল থেকে ১২শ শতক পর্যন্ত কাশ্মীরের বিভিন্ন রাজবংশের ধারাবাহিক ইতিহাস লেখা আছে। এটিকে প্রাচীন ভারতের প্রথম যথার্থ ও বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।

৮. শিখদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম কী?

উত্তর: গুরু গ্রন্থ সাহিব (আদি গ্রন্থ)

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
শিখদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম গুরু গ্রন্থ সাহিব। একে আদি গ্রন্থও বলা হয়।

৯. গুরু গ্রন্থ সাহিব কে সংকলন করেন এবং কখন?

উত্তর: পঞ্চম গুরু অরজন দেব, ১৬০৪ সালে

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
পঞ্চম গুরু অরজন দেব ১৬০৪ সালে এটিকে ‘আদি গ্রন্থ’ হিসেবে সংকলন করেন। পরে দশম গুরু গোবিন্দ সিংহ এই পবিত্র গ্রন্থটিকে শিখ ধর্মের চিরন্তন ও জীবন্ত ‘গুরু’ হিসেবে ঘোষণা করেন। এতে শিখ গুরুদের পাশাপাশি কবীর, নামদেব, রবিদাস, শেখ ফরিদ প্রমুখ সন্তদের বাণীও আছে।

১০. সঙ্গীত শিরোমণি এবং মানকৌতূহল — এই দুটি গ্রন্থ কোন সময়ের?

উত্তর: ১৫শ শতক

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
দুটি গ্রন্থই ১৫শ শতকে উত্তর ভারতে রচিত হয়।

১১. সঙ্গীত শিরোমণি ও মানকৌতূহল গ্রন্থ দুটির গুরুত্ব কী?

উত্তর: হিন্দুস্তানি সঙ্গীতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
দুটি গ্রন্থই ভারতীয় সঙ্গীত বিষয়ক আকর গ্রন্থ। এতে রাগ, তাল, সঙ্গীত শৈলী ও তত্ত্ব বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে। মধ্যযুগে হিন্দু ও ইসলামিক সঙ্গীতরীতির সমন্বয় সংরক্ষণে এবং উত্তর ভারতীয় হিন্দুস্তানি সঙ্গীতের বিকাশে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

১২. চর্যাপদ মূলত কী ধরনের রচনা?

উত্তর: সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের ধর্মীয় গান

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
চর্যাপদ মূলত সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের ধর্মীয় সাধনা ও তত্ত্বদর্শনের গান।

১৩. চর্যাপদকে সামাজিক ইতিহাসের উপাদান হিসেবে কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার নিখুঁত চিত্র পাওয়া যায় বলে

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
চর্যাপদের পদগুলোতে রাজা-বাদশাহর বিলাসী জীবনের চেয়ে সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের (শবর, ডোম, চণ্ডাল, তাঁতি, জেলে) জীবনধারা বেশি ফুটে উঠেছে। এতে দারিদ্র্য, পেশা, নারীদের অবস্থান, নদীপথ যোগাযোগ, কুসংস্কার ইত্যাদির বাস্তব চিত্র রয়েছে। তাই ইতিহাসবিদরা একে পাল যুগের সামাজিক ইতিহাসের অমূল্য উপাদান হিসেবে ব্যবহার করেন।

১৪. শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যটি কার অনুবাদ?

উত্তর: মালাধর বসু

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্যের অনুবাদ করেন মালাধর বসু (গুণরাজ খান)।

১৫. লক্ষণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্ন কারা ছিলেন?

উত্তর: জয়দেব, ধোয়ী, শরণ, উমাপতিধর ও গোবর্ধন

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
লক্ষণ সেনের রাজসভা এই পাঁচজন বিখ্যাত পণ্ডিত-কবি দ্বারা অলঙ্কৃত ছিল।

১৬. দানসাগর গ্রন্থটি লক্ষণ সেনের রচনা — এটি সত্য না মিথ্যা?

উত্তর: মিথ্যা

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
দানসাগর গ্রন্থটি বল্লাল সেনের রচনা, লক্ষণ সেনের নয়।

১৭. চর্যাপদে কোন কোন পেশার উল্লেখ পাওয়া যায়?

উত্তর: শিকার, তাঁত বোনা, নৌকা চালানো, মদ তৈরি ইত্যাদি

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
চর্যাপদে হরিণ শিকার, গাছে ফল পাড়া, তুলা ধোয়া, তাঁত বোনা, নৌকা চালানো, মদ তৈরি ও বিক্রির মতো পেশার উল্লেখ রয়েছে। এগুলো তৎকালীন আর্থ-সামাজিক কাঠামোর স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

১৮. গুরু গ্রন্থ সাহিব কোন লিপিতে রচিত?

উত্তর: গুরুমুখী লিপি

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
গুরু গ্রন্থ সাহিব গুরুমুখী লিপিতে রচিত।

১৯. হেমন্ত সেন দানসাগর রচনা করেছিলেন — সত্য না মিথ্যা?

উত্তর: মিথ্যা

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
হেমন্ত সেনের সঙ্গে দানসাগর রচনার কোনো সম্পর্ক নেই।

২০. চর্যাপদ কোন যুগের সামাজিক ইতিহাসের উপাদান?

উত্তর: পাল যুগ

ব্যাখ্যা দেখুন ▼
চর্যাপদ পাল যুগের সামাজিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।


— শেষ —

মন্তব্যসমূহ

Click here to view my others posts

DSE-3, 2023, History Honours 6th Semester Question paper of CBPBU University

B.A. History Honours 6th Semester , Core Course-13, 2023, CoochBehar Panchanan Barma University, Question Paper 📃

ভারতীয় মধ্যযুগের ইতিহাস

4th semester